মানুষ সমুদ্রে আর পাহাড়ে যায় কারণ ---

বনলতা সেন - সিনেমা রিভিউ | দু-দণ্ড শান্তির পরেও যে তৃষ্ণা থাকে : [স্পয়লার এলার্ট]

বনলতা সেন — চলচ্চিত্র পর্যালোচনা চলচ্চিত্র পর্যালোচনা বাংলা সিনেমা পর্যালোচনা কবিতা ও শিল্প চলচ্চিত্র পর্যালোচনা · ২০২৬ বনলতা সেন একটি অসম্পূর্ণ মাস্টারপিস — উঁচুতে উঠতে গিয়ে পড়ে যাওয়ার ব্যর্থতা ৩.৫  / ৫ · পরিচালক: মাসুদ হাসান উজ্জ্বল · ২০২৬ সিনেমা হলের আলো নিভলে একটা চুক্তি হয়। পরিচালক বলেন; আমাকে বিশ্বাস করো, আমি তোমাকে কোথাও নিয়ে যাব। দর্শক রাজি হয়ে চোখ মেলে বসে থাকেন। মাসুদ হাসান উজ্জ্বলের বনলতা সেন সেই চুক্তি রাখে; কিন্তু পুরোপুরি না। যতটুকু রাখে, সেটা অসাধারণ। যতটুকু রাখে না, সেটা বেদনাদায়ক; কারণ এই সিনেমার সম্ভাবনা ছিল অপরিসীম। ১ গল্পের কাঠামো; দুটো সমান্তরাল জীবন জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত কবিতা অবলম্বনে নির্মিত এই সিনেমা কবিতার আক্ষরিক রূপান্তর নয়। পরিচালক আরো সাহসী পথ বেছেছেন। সিনেমায় দুটো সমান্তরাল গল্প একসাথে চলে। একদিকে আছেন স্বয়ং কবি জীব...

মানুষ সমুদ্রে আর পাহাড়ে যায় কারণ ---


 

মানুষ সমুদ্রে আর পাহাড়ে যায়
কারণ

সমুদ্র আর পাহাড় মানুষের মত নির্জীব নয়।
সামুদ্রিক জলের উচ্ছ্বাস পায়ে এসে লাগলে,
আমাদের মনেও প্রাণোচ্ছল ভাব জেগে ওঠে। 

 
পাহাড় চূড়ার বিশালতা আমাদের মুগ্ধ করে,
পাহাড়ি বাতাস আমাদের কানে এসে লাগলে ভালো লাগে,
ইচ্ছে করে সে' বাতাসকে জড়িয়ে ধরে গাছের মত শিকড় গজাই। 
 
যদি কিছু মানুষ থাকে মানুষের পাশে
যারা সমুদ্র জলের মত উচ্ছ্বাসিত;
যদি এমন কিছু মানুষের সান্নিধ্যে যাওয়া যায়-
যাদের বুক পাহাড়ের মতন;
তবে আমাদের আর পাহাড় কিংবা সমুদ্রে না গিয়ে,
সেসব মানুষের সাথে দু'দিন কাটিয়ে দিলেই
মন তৃপ্ত করে বাড়ি ফেরা যেত। 
 
এমন মানুষ যদি থাকে আশেপাশে
যারা
নিজেরাই একেকটা পাহাড় কিংবা সমুদ্রের থেকে কম কিছু নয়-
তবে তাদের বুকে তৈরি হত টুরিস্ট স্পট আর রাতের ক্যাম্পিং। 
 
১৫'ই এপ্রিল/২২

Comments