মানুষ সমুদ্রে আর পাহাড়ে যায় কারণ ---

বনলতা সেন - সিনেমা রিভিউ | দু-দণ্ড শান্তির পরেও যে তৃষ্ণা থাকে : [স্পয়লার এলার্ট]

বনলতা সেন — চলচ্চিত্র পর্যালোচনা চলচ্চিত্র পর্যালোচনা বাংলা সিনেমা পর্যালোচনা কবিতা ও শিল্প চলচ্চিত্র পর্যালোচনা · ২০২৬ বনলতা সেন একটি অসম্পূর্ণ মাস্টারপিস — উঁচুতে উঠতে গিয়ে পড়ে যাওয়ার ব্যর্থতা ৩.৫  / ৫ · পরিচালক: মাসুদ হাসান উজ্জ্বল · ২০২৬ সিনেমা হলের আলো নিভলে একটা চুক্তি হয়। পরিচালক বলেন; আমাকে বিশ্বাস করো, আমি তোমাকে কোথাও নিয়ে যাব। দর্শক রাজি হয়ে চোখ মেলে বসে থাকেন। মাসুদ হাসান উজ্জ্বলের বনলতা সেন সেই চুক্তি রাখে; কিন্তু পুরোপুরি না। যতটুকু রাখে, সেটা অসাধারণ। যতটুকু রাখে না, সেটা বেদনাদায়ক; কারণ এই সিনেমার সম্ভাবনা ছিল অপরিসীম। ১ গল্পের কাঠামো; দুটো সমান্তরাল জীবন জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত কবিতা অবলম্বনে নির্মিত এই সিনেমা কবিতার আক্ষরিক রূপান্তর নয়। পরিচালক আরো সাহসী পথ বেছেছেন। সিনেমায় দুটো সমান্তরাল গল্প একসাথে চলে। একদিকে আছেন স্বয়ং কবি জীব...

দু’টো বাঁকা দাগ পাশাপাশি থাকলে চুমু হয়!

 





খুব ভোরে মাদুর পেতে নতুন হারমোনিয়াম টেনে,
কপালে বুকে যীশুর স্পর্শ নিয়ে নীচু স্বরে স্বরগ্রাম চর্চা করার মতন,
এমন প্রেমে পড়ো না কেন?

স্কুল-ব্যাগ আর জলের বোতল হাতে গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকো না কেন, 
বাবাদের মতন?

ভালোবাসা লেখ না কেন-
অল্প শব্দে ডান থেকে বামে উর্দু গজলের মতন!

বাঁকা দাগ আঁকো না কেন?
জানো না? দু’টো বাঁকা দাগ পাশাপাশি থাকলে চুমু হয়!

Comments